সেলসের দক্ষতা বাড়ানোর নিয়ম/উপায়

সেলসের দক্ষতা বাড়ানোর নিয়ম/উপায়: Rules/Methods to Improve Sales Efficiency আপনি কি নতুন চাকরিপ্রত্যাশী, আপনি আপনার কর্মজীবনকে এগিয়ে নিতে নিয়মিত চাকরির বিবরণ/ চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেখতে পারেন এতে আপনার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে পারে। সম্প্রতি সেলসের দক্ষতা বাড়ানোর নিয়ম/উপায় প্রকাশ করেছি। এখানে সেলস দক্ষতার বিবরন, সেলস দক্ষতার সারাংশ ,সেলস দক্ষতার শিরোনাম সহ বিস্তারিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সেলসের দক্ষতা বাড়ানোর নিয়ম/উপায়

ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে সবচেয়ে প্রতিযোগিতাপূর্ণ চাকরিগুলোর একটি হলো সেলসের কাজ। প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রির দায়িত্বে থাকলে আপনি প্রতিনিয়ত নতুন চ্যালেঞ্জ পাবেন। তাই আপনার সেলসের দক্ষতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। এর জন্য দরকার নিয়মিত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

সেলসে নতুন বা পুরানো হোন কোনো সমস্যা নেই।কিন্তু কয়েকটি উপায় অবলম্বন করে নিজেকে দক্ষ করতে পারবেন এ কাজে।নিচে সম্পূর্ন উল্লেখ্য করা হয়েছে।

 

প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে ভালোমতো জানুন।

 

আপনি যে পন্য বা সেবা বিক্রি করবেন,তার খুঁটিনাটি জেনে নিন। এর দ্বরা আপনি কাস্টমারকে পন্য বা সেবা সংক্রান্ত যেকোন প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হবেন।

অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের একই প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে খোঁজ রাখুন। সেগুলোর ভালো-মন্দ জানা থাকলে কাস্টমারের সাথে কথা বলতে সুবিধা হবে।

 

সেলস ম্যান কি/একজন সেলস ম্যানের কাজ কি কি

 

কাস্টমারের প্রয়োজন ঠিকভাবে বুঝুন।

একজন ক্রেতা যখন কোন পন্য বা সেবা কিনতে চান, তার উদ্দেশ্য হলো কোন একটি সমস্যার সমাধান পাওয়া। তাই আপনাকে কাস্টমারের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিতে হবে। এবং তার প্রয়োজন ভালোভাবে অনুধাবন করতে পারলে নিজের পন্য বা সেবার উপকারিতা তুলে ধরা সহজ হবে।

কোন কিছু কেনার ক্ষেত্রে কাস্টমারের বিবেচনায় কিছু ব্যাপার থাকে। যেমন:

* সমস্যা (উদাহরণ: “ইদানিং অসহ্য গরম পড়েছে।”)
* সম্ভাব্য সমাধান (উদাহরণ: “একটা ফ্যান/এসি কেনা দরকার।”)
* সমাধানের দাম (উদাহরণ: “কত টাকায় একটা ভালো এসি /ফ্যান ক্রয় করা যাবে?”)
* সমাধানের জায়গা (উদাহরণ: “কোন জায়গা থেকে ফ্যান/এসি কিনলে ভালো হয়?”)
* শর্ত (উদাহরণ: “এসি/ফ্যানটাকে মিনিমাম ১ – ২ বছর সার্ভিস দিতে হবে।”)
* এই ধরনের প্রশ্নের দ্বারা আপনি একজন কাস্টমারের প্রয়োজনকে গবেষণা করতে পারেন।

 

যোগাযোগের দক্ষতা বাড়ান।

 

যোগাযোগের মাধ্যমেই আপনাকে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি করতে হবে। সেটা সরাসরি কথাবার্তা দিয়ে হতে পারে। ফোন কলের মাধ্যমে হতে পারে। হতে পারে ইমেইল দিয়েও। যেভাবেই কাস্টমারের সাথে যোগাযোগ হোক না কেন, আকর্ষণীয়ভাবে আপনার বক্তব্য উপস্থাপন করা জরুরি। তাই যোগাযোগের দক্ষতা অর্জন করুন।

 

কাস্টমারের সাথে আন্তরিক বন্ধু সুলভ সু-সম্পর্ক গড়ে তুলুন।

 

একজন ক্রেতা যদি আপনাকে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য মনে করেন, তাহলে আপনার জন্য সেলস করা অনেকাংশে সহজ হয়ে আসবে। তাই –

* কাস্টমারের সাথে ভালো ব্যবহার করুন।
* কাস্টমারের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন।
* কোন ধরনের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস পেলে কাস্টমার সবচেয়ে খুশি হবেন, সে সম্পর্কে প্রশ্ন করুন।
* ধৈর্য সহকারে কাস্টমারের প্রশ্নের উত্তর দিন।
* পুরানো কাস্টমার হয়ে থাকলে আগের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে তার মতামত জেনে নিন।
* কোনো প্রকার অফার/ছাড়ের ব্যবস্থা করতে পারলে কাস্টমারকে জানান।
* মনে রাখবেন, সেলসের কেন্দ্রবিন্দু হলেন আপনার কাস্টমার। তিনি যে আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, তা মার্জিত আচরণ দিয়ে প্রকাশ করুন।

নতুন পদ্ধতি চেষ্টা করুন।

 

একেক কাস্টমারের সমস্যা একেক রকম। এর সাথে প্রোডাক্ট বা সার্ভিসেও প্রতিনিয়ত পরিবর্তন আসে। তাই বিক্রির ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি সবসময় কাজ করে না। চ্যালেঞ্জিং এ পেশায় সাফল্য পেতে মাথা খাটিয়ে নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করুন। এগুলো কতটুকু কাজ করছে, সে ব্যাপারে নজর দিন। তাহলে পরিস্থিতি অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন।

সেলসের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ – আত্মবিশ্বাস। হুট করে এটি অর্জন করা যায় না। বরং নিয়মিত নিজের স্কিল বাড়ানোর মাধ্যমে আপনি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারবেন। তাই চেষ্টা চালিয়ে যান!

সবার আগে সকল চাকরির খবর পেতে প্রতিনিয়ত চোখ
রাখুন choloman এই ওয়েবসাইটটিতে। আপডেট নতুন চাকরির খবর প্রকাশ হওয়া মাত্রই আমরা আপনাদের মাঝে সবার আগে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করে থাকি। সেলসের দক্ষতা বাড়ানোর নিয়ম/উপায় সহ সকল সরকারি ও বেসরকারি সকল চাকরির খবর আমাদের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করে থাকি।

আরও পড়ুন: শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩

 

Leave a Comment